Bengali Romantic Love Letter ( ভালোবাসার চিঠি : তুমি ভালো থেকো)

Here is the best collection of Bengali romantic love letter for boyfriend and girlfriend. Read out our comprehensive list of the most romantic love letters in Bengali fonts. Once the love begins many lovers look forward to sending romantic love letters for her. Here’s a list of 20 written Bangla love letter idea for an exotic time with your better half.  To help couples find the Bengali romantic love letter for husband, wife, girlfriend, and boyfriend, check the love letter pdf list from below.

Bengali romantic love letter

Since the first instant My beloved (name) I love and adore you. Ever since I first laid eyes on you I was certain they would never again picture sweeter image. Your beauty and finesse seduced me right away. Your voice reached my ears like the sweetest melody, beating the lustful pulse of my aching heart. Ever since that first glance my life shifted as a whole because in an instant I understood what love really is, because I understood that when love and joy are shared, move intensely they become, and that grief and hardship are a lesser burden when faced with clarity and trust.

ভালোবাসার চিঠি

কাগজে লেখা কিছু শব্দ আপনার ভালোবাসাকে জাগিয়ে তোলে নতুন করে। বিখ্যাত ঔপন্যাসিক মার্ক টোয়েন তার হবু স্ত্রীকে চিঠিতে লিখেছিলেন, ‘প্রিয় লিভি, তুমি সুন্দর … তোমার বিশাল হূদয়ে আমাকে ছোট্ট একটি ঘর দাও… যদি আমি তা পেতে ব্যর্থ হই তবে সারা জীবন ঘরছাড়া যাযাবর হয়ে থেকে যাব।’ চিঠির এই ভাষাই পরে তাকে কাঙ্ক্ষিত ভালোবাসার মানুষকে পেতে সফল করেছে। হূদয় হতে নিঃসরিত কিছু কথা পৃথিবীর সব উপহারের চেয়ে শ্রেষ্ঠ উপহার।

আর হূদয়ের কথা ব্যক্ত করার সবচেয়ে উত্তম পন্থা হলো ‘চিঠি’। চিঠির আরেকটি ভালো দিক আছে তা হলো এটি চির নতুন এবং বারবার পড়ে উপভোগ করা যায়। তাই ভালোবাসার দিনটিতে প্রিয়জনের কাছে অন্যান্য উপহারের সাথে একটি চিঠিও সংযুক্ত করুন যা তার প্রতি আপনার ভালোবাসাকে আবারও প্রকাশ করবে। আপনার প্রিয়জনকে ভালোবাসার কথা জানাতে যে চিঠি আপনি লিখছেন তা লেখার সময় কিছু কিছু দিকে বিশেষ খেয়াল রাখতে হবে। যেমন প্রথমে আপনি যা লিখতে চান তা লিখে নিন। অতঃপর তা আরেকবার নির্ভুল করে লিখে ফেলুন।

চিঠিটি রোল করে রিবন বেঁধে কিংবা খামে ভরে আপনার বা আপনার প্রিয়জনের পছন্দের একগুচ্ছ ফুলের সাথে পৌঁছে দিন। কিংবা চিঠিটি কোনো মজার চকোলেটের বক্সের সাথেও পাঠাতে পারেন। চিঠির উপযুক্ত পরিবেশন একে প্রাপকের কাছে গুরুত্বপূর্ণ করে তুলবে। চিঠি লিখে ভালোবাসা প্রকাশ করা নতুন উদ্ভাবিত কোনো পন্থা নয়। বহু আগে থেকেই এর প্রচলন হয়ে আসছে। ইতিহাসের সর্বত্র উল্লিখিত রয়েছে ‘লাভ লেটার’-এর গুরুত্বের কথা। চিঠি দুজন মানুষের মধ্যকার দূরত্বকে কমিয়ে আনতে পারে তা তারা একজন অপরজনের চেয়ে যত দূরেই থাকুক না কেন। চিঠির মাধ্যমে প্রেমিক-প্রেমিকা তাদের মনের তীব্র আকাঙ্ক্ষাকে প্রকাশ করে।

ভালোবাসার চিঠি কষ্টের

বিখ্যাত কবি খলিল জিবরান এবং আমেরিকার স্কুল শিক্ষিকা ম্যারি তাদের ২৭ বছরের বন্ধুত্বে বহু চিঠি আদানপ্রদান করেছেন। আপনার লেখা চিঠি প্রকাশ করবে মনের তীব্র আকাঙ্ক্ষা, আপনার হতাশা, নিরাপত্তাহীনতা। এমনকি চিঠির মাঝে কৌতুকও করতে পারেন প্রিয়জনের সাথে। কারণ চিঠিতে মজার কিছু থাকলে তা আপনার প্রিয়জনের ক্লান্তিকে মুছে দেবে। কেবলমাত্র ভালোবাসার প্রাথমিক পর্যায়ে চিঠি লিখতে হয় এ ধরনের ধারণা করা ভুল। ভালোবাসার যেকোনো পর্যায়েই চিঠি লিখতে পারেন। এমনকি স্বামী-স্ত্রীও একে অপরকে চিঠি লিখতে পারেন।

যেমনটি লিখেছিলেন হুমায়ূন আহমেদ তার স্ত্রী গুলতেকিনকে আমেরিকায় প্রবাসকালে। আর সেই চিঠির প্রভাব ছিল এমনই যা গুলতেকিন আহমেদকে যেতে বাধ্য করেছে প্রবাসে স্বামীর কাছে। ভালোবাসার এমনই জোর ছিল কণ্ঠশিল্পী আবিদা সুলতানা ও রফিকুল আলমের ভালোবাসার চিঠিতে। তারই দৃষ্টান্তস্বরূপ সেই সময়ে লেখা তচিঠির প্রতিনিলিপ তুলে ধরা হলো।

কেমন আছ? আচ্ছা

তুমি সেই যে আমাকে বাড়িতে নামিয়ে দিয়ে চলে গেলে, তখন প্রায় সন্ধ্যা সাতটা, ভাবতে পারো মা, আব্বার কাছে আমার কী অবস্থা? বুড়িগঙ্গায় নৌকাতে যে আমাদের পুলিশ ধরল, সে কথাটা কীভাবে মাকে বলি বলতো? গানের রিহার্সেল করে আর কত মিথ্যা কথা বলা যায়? তারপরও তুমি ভুল করে তোমার মাফলারটা ফেলে আমার মাফলারটা নিয়ে রাজশাহী চলে গেলে, ওটা আমি কোথায় লুকাবো? রিহার্সেলে খুরশিদ ভাই (খুরশিদ আলম) ছিলেন তার সাথে চেঞ্জ হয়েছে, এ কথা বলে কাটালাম কিন্তু প্রতি মুহূর্তে টেনশন হচ্ছে এই বুঝি কোনো কারণে খুরশিদ ভাই বাড়িতে চলে আসেন তা হলে তো ছয় তারিখের যে কোনো রিহার্সেলই ছিল না এটা জেনে যাবে।

যা হোক তোমার কী অবস্থা? খালাম্মার শরীর এখন কেমন? উনি কি আমার কথা কিছু শুনেছেন? হেনা কেমন আছে? ভালো লাগছে না জানো। এই যে সময় তুমি পাঁচ-ছয় দিনের জন্য দেশে যাও, আমার ভাল্লাগেনা। এই কয়দিন আমার জীবনে কোনো আনন্দ থাকে না। ভাবছিলাম মেজো বুবুর বাসায় গিয়ে তোমাকে একটা ফোনও করব কিন্তু চাচি আম্মা পছন্দ করেন না ওখান থেকে ফোন করি। কারণ উনি বুঝে ফেলেছেন এ ফোনটা গোপন।

More: Funny Bangla jokes

না বলা ভালোবাসার চিঠি

খুবই স্বাভাবিক উনি পছন্দ করেন না ফোন করা। এই জানো? বুবু না সব বুঝে ফেলেছে। আমাকে একেবারে সোজাসুজি জিজ্ঞাসা করল, ‘শিখা, তোমার সঙ্গে কথা আছে।’ আমি বললাম, বলো। আমিও বুঝতে পারছিলাম ও কি বলবে। বলল, ‘তুমি কি রফিককে বিয়ে করবে?’ আমিও ওর দিকে তাকিয়ে খুব স্বাভাবিকভাবে বললাম, হ্যাঁ, আমি সে রকমই ভাবছি। ও একটা উপদেশমূলক বক্তব্য দিয়ে আলোচনা শেষ করল। বলল, ‘তো ঘুরাঘুরি না করে মাকে বলো, ঘুরাঘুরি করলে বদনাম হয়।’ আমি বললাম, আচ্ছা, সাথে সাথে আমার মনে হলো তুমি কবে আসবে আর আমরা শ্যানে রেস্টুরেন্টে খেতে যাব, তোমার সঙ্গে যে আমার চব্বিশ ঘণ্টাই ঘুরতে ইচ্ছা করে।

ভাল্লাগে না।

খুব তাড়াতাড়ি আস।

আমি।

(রফিকুল আলমকে লেখা আবিদা সুলতানার চিঠি)

শিখা,

তুমি কেমন আছো? ফেরী

Loving you makes me feel safer and more alive. Bring me the courage to search, in purest spring, the water that will quench our trust, the strength to reach for the ripest fruit that insisted in growing in the highest branch, energy to overcome each and every obstacle and to have a forever open chest and a willing heart to keep you warm, body and soul, always. I will always be aware of this love and constant readiness to review this feeling is a promise, of truthful worship I have towards you. Have absolute certainty that my biggest fulfillment is knowing that I can make you the happiest woman and the most beloved on this earth because I dedicate my seconds to this goal. Receive this with all my love! With care, (signature)

ফজিলাতুন্নেসাকে না পাওয়ার ব্যথায় বেদনাভেজা বহিঃপ্রকাশ, কাজী মোতাহার হোসেনের কাছে লেখা কবি নজরুলের একটি চিঠি

 

প্রিয় মতিহার,

পরশু বিকালে এসেছি কলকাতা। উপরের ঠিকানায় আছি। ওর আগেই আসবার কথা ছিলো, অসুখ বেড়ে ওঠায় আসতে পারেনি। দু চার দিন এখানেই আছি। মনটা কেবলই পালাই পালাই করছে। কোথায় যাই ঠিক করতে পারছিনে। হঠাৎ কোনোদিন এক জায়গায় চলে যাবো। অবশ্য দু দশ দিনের জন্য। যেখানেই যাই আর কেউ না পাক তুমি খবর পাবে।

বন্ধু, তুমি আমার চোখের জলের মতিহার, বাদল রাতের বুকের বন্ধু। যেদিন এই নিষ্ঠুর পৃথিবীর আর সবাই আমায় ভুলে যাবে সেদিন অন্তত তোমার বুক বিঁধে উঠবে। তোমার ঐ ছোট্ট ঘরটিতে শুয়ে যে ঘরে তুমি আমায় প্রিয়ার মতো জড়িয়ে শুয়েছিলে অন্তত এইটুকু শান্তনা নিয়ে যেতে পারবো। এই কি কম সৌভাগ্য আমার ! কেন এ কথা বলছি শুনবে? বন্ধু আমি পেয়েছি, যার সাক্ষাত আমি নিজেই করতে পারবো না। এরা সবাই আমার হাসির বন্ধু, গানের বন্ধু, ফুলের সওদার খরিদ্দার এরা। এরা অনেকেই আমার আত্মীয় হয়ে উঠেছে, প্রিয় হয়ে উঠেনি কেউ। আমার জীবনের সবচেয়ে করুণ পাতাটির লেখা তোমার কাছে লিখে গেলাম।

আকাশের সবচেয়ে দূরের যে তারাটির দিপ্তি চোখের জলকণার মতো ঝিলমিল করবে, মনে করো সেই তারাটি আমি। আমার নামেই তার নামকরণ করো। কেমন? মৃত্যু এতো করে মনে করছি কেন জানো? ওকে আজ আমার সবচেয়ে সুন্দর মনে হচ্ছে বলে। মনে হচ্ছে, জীবনে যে আমায় ফিরিয়ে দিলে, মরলে সে আমায় বরণ করে নেবে।

সমস্ত বুকটা ব্যথায় দিনরাত টনটন করছে। মনে হচ্ছে সমস্ত বুকটা যেন ঐখানে এসে জমাট বেঁধে যাচ্ছে। ওর যদি মুক্তি হয়, বেঁচে যাবো। কিন্তু কি হবে কে জানে? তোমার চিঠি পেয়ে অবধি কেবল ভাবছি আর ভাবছি – কতো কথা, কতো কি, তার কি কূল-কিনারা আছে? ভাবছি আমার ব্যথার রক্তকে রঙ্গীন খেলা বলে উপহাস যে করেন তিনি হয়তো দেবতা। আমার ব্যথার অশ্রুর বহু উর্ধ্বে।

প্রেমিকাকে লেখা কষ্টের চিঠি

কিন্তু আমি মাটির নজরুল হলেও সে দেবতার কাছে অশ্রুর অঞ্জলি আর নিয়ে যাবো না। ফুল ধুলায় ঝড়ে পড়ে, পায়ে পিষ্ট হয়, তাই বলে কি ফুল এতো অনাদরের? ভুল করে সে ফুল যদি কারুর কবরীতেই খসে পড়ে এবং তিনি যদি সেটাকে উপদ্রুব বলে মনে করেন, তাহলে ফুলের পক্ষে প্রায়শ্চিত্ত হচ্ছে এক্ষুণি কারুর পায়ের তলায় পড়ে আত্মহত্যা করা।

সুন্দরের অবহেলা আমি সইতে পারি না বন্ধু, তাই এতো জ্বালা। ভিক্ষে যদি কেউ তোমার কাছে চাইতেই আসে অদৃষ্টের বিরম্বনায়, তাহলে তাকে ভিক্ষা নাই দাও, কুকুর লেলিয়ে দিও না। আঘাত করবার একটা সীমা আছে। সেটাকে অতিক্রম করলে আঘাত অসুন্দর হয়ে আসে। আর তক্ষুণি তার নাম হয় অবমাননা।

ছেলেবেলা থেকে পথে পথে মানুষ আমি। যে স্নেহে যে প্রেমে বুক ভরে ওঠে কাঁনায় কাঁনায় তা কখনো কোথাও পাই নি আমি। এবার চিঠির উত্তর দিতে বড্ড দেরী হয়ে গেলো। না জানি কতো উদ্বিগ্ব হয়েছো। কি করি বন্ধু, শরীরটা এতো বেশী বেয়াড়া আর হয়নি কখনো। অষুধ খেতে প্রবৃত্তি হয়না।

আমায় সবচেয়ে অবাক করে নিশুতি রাতের তারা। তুমি হয়তো অবাক হবে, আমি আকাশের প্রায় সব তারাগুলোকে চিনি। তাদের সত্যিকারের নাম জানিনে। কিন্তু তাদের প্রত্যেকের নামকরণ করেছি আমার ইচ্ছেমতো। সেই কতোরকম মিষ্টি মিষ্টি নাম, শুনলে তুমি হাসবে। কোন তারা কোন ঋতূতে কোন দিকে উদয় হয় সব বলে দিতে পারি। জেলের ভেতর যখন সলিটারি সেলে বন্ধ ছিলাম তখন গরমে ঘুম হতো না। সারারাত জেগে কেবল তারার উদয়াস্ত দেখতাম। তাদের গতিপথে আমার চোখের জল বুলিয়ে দিয়ে বলতাম, বন্ধু, ওগো আমার নাম না জানা বন্ধু, আমার এই চোখের জলের পিচ্ছিল পথটি ধরে তুমি চলে যাও অস্তপারের পানে।

প্রেমিকার কাছে শেষ চিঠি

আমি শুধু চুপটি করে দেখি। হাতে থাকতো হাতকড়া। দেয়ালের সঙ্গে বাধা চোখের জলের রেখা আঁকাই থাকতো মুখে, বুকে। আচ্ছা বন্ধু, ক’ফোটা রক্ত দিয়ে এক ফোঁটা চোখের জল হয় তোমাদের বিজ্ঞানে বলতে পারে? এখন শুধু কেবলই জিজ্ঞাসা করতে ইচ্ছে করে, যার উত্তর নেই, মিমাংসা নেই, সেইসব জিজ্ঞাসা।

যেদিন আমি ঐ দূরের তারার দেশে চলে যাবো, সেদিন তাকে বলো, এই চিঠি দেখিয়ে, সে যেন দু’ফোটা অশ্রুর দর্পন দেয় শুধু আমার নামে। হয়তো আমি সেদিন খুশীতে উল্কা ফুল হয়ে তার নোটন খোঁপায় ঝড়ে পড়বো। তাকে বলো বন্ধু, তার কাছে আমার আর চাওয়ার কিছুই নেই। আমি পেয়েছি, তাকে পেয়েছি, আমার বুকের রক্তে, চোখের জলে। আমি তার উদ্দেশ্যে আমার শান্ত স্নিগ্ধ অন্তরের পরিপূর্ণ চিত্তের একটি সশ্রদ্ধ নমস্কার রেখে গেলাম। আমি যেন শুনতে পাই, সে আমারে সর্বান্তকরণে ক্ষমা করেছে। ফুলের কাঁটা ভুলে গিয়ে তার উর্ধ্বে ফুলের কথাই যেন সে মনে রাখে।

ঘুমিয়ে পড়েছিলাম। স্বপ্ন দেখে জেগে উঠে আবার লিখছি। কিন্তু আর লিখতে পারছি না ভাই। চোখের জল, কলমের কালি, দুই-ই শুকিয়ে গেলো। তোমরা কেমন আছো, জানিও। তার কিছু খবর দাও না কেন? না কি সেটুকুও মানা করেছে? ঠিক সময়মতো সে ওষুধ খায়তো? কেবলই কীটস্‌কে স্বপ্ন দেখছি, তার পাশে দাঁড়িয়ে ফেমিব্রাউন পাথরের মতো। ভালবাসা নাও।

ইতি,
তোমার নজরুল

Bengali love letter for Girlfriend

Love’s true path My sweet and Darling (name) Today I feel very happy because I notice at each and every instant the importance you represent to me and the strength you transmit, so that I can face whichever obstacle without fear or insecurity, moved only by an infinite will to make you as happy as I feel this minute. You are gorgeous and adorable, capable of making me realize how good it is to feel alive, how good it is that your presence makes me grow and transform into a better person, capable of turning dreams into reality and make the result of those dreams, now shared by us both, and eternalizing then into an ambience of harmony, care, and love.

My life without you would lack meaning, lack sense. Without you I would be nothing but a wandering errant, searching for the path that could lead me to happiness’s door.

ভালোবাসার চিঠি : তুমি ভালো থেকো

……… আমার হৃদয় হৃৎপিণ্ডের চাইতেও অনেক গভীরে, রক্ত আর শিরা উপশিরারও অনেক গহীনে যে অস্পৃশ্য অবিনশ্বর রুহ আছে, সেই রুহবিন্দু থেকে তোমাকে ভালোবাসি। তোমার রুপ অবয়ব বা বয়স নয়, তোমার আত্মাটাকে ভালোবাসি।
কারন ভালোবাসা নয় রূপ যৌবনের লোভ। ভালোবাসা মানে নিজের অপর সত্ত্বাকে তোমার মাঝে খুজে পাওয়া। যাকে ছাড়া আমি অপূর্ণ।

আমার হৃৎপিণ্ডের একটু উপরে, অল্প ডানপাশে, আমি নতুন হৃত্স্পন্দন টের পাই। তোমার জন্য এই হৃত্স্পন্দনের জন্ম। তুমিই আমার সেই হৃদয়ের টুকরো, যা দিয়ে তোমাকে তৈরি করা হয়েছে, আর যাকে খুজে না পাওয়া পর্যন্ত আমি অপূর্ণ।

তোমার কাছে কিছু চাওয়ার সাহস নেই আমার। আমি বরং তোমার কাছে নিজেকে দিয়ে দিলাম। আমার স্থাবর অস্থাবর সম্পদ সম্পত্তি দেহের প্রতিটি অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সবকিছুর উপর কর্তৃত্ব থাকলো শুধু তোমার। তুমি আমার প্রসারিত বাহুডোরে না আসো, যদি আমাতে তুমি নিজেকে দিতে না চাও, তবু আমার সব কিছু তোমার। আমার সবকিছু চলবে শুধু তোমার কথামতো।

আমি জানিনা মানুষ কেন বলে প্রেমে অনেক কষ্ট। পাওয়া না পাওয়ার বেদনা। তারা হয়তো জানেনা ভালোবাসা কি। তাদের হয়তো সে ধৈর্য ছিলোনা সত্যিকারের ভালোবাসার মানুষটিকে খুঁজে পাবার। নিজের জোর করে তৈরি করা ভালোবাসায় আবদ্ধ তারা। তা না হলে তারা জানতো, সত্যিকারের ভালোবাসায় চাওয়ার কিছু থাকেনা। প্রশ্ন থাকেনা, হৃদস্পন্ধন থেমে যায়না, বুক মোচড় দেয় না। কষ্ট হয়না। তাড়নার জঞ্জাল ভ্রু কুচকে ঝামেলা থেকে মুক্তি চায়না। ভালোবাসা মানে নিজের কাছে হার মানা নয়। নয় স্রেফ পছন্দ হয়েছে একজনকে তাই তাকে বশে আনা।

ভালোবাসা মানে একা থাকা। ভালোবাসা মানে অপেক্ষা করা। একদিন আয়নার মতো কাউকে খুঁজে পাওয়া। যাকে পেলে এমনিতেই মনের সব প্রশ্নের উত্তর মিলে যায়। প্রথম স্বপ্নের কথা মনে পড়ে। এক ঝলক স্বপ্ন। মনের মাঝে বয়ে চলা সব ভার এক পলকে আকাশে উড়ে যায়। নিজের মন সত্ত্বার প্রতিরূপ খুঁজে পেয়ে বিকশিত হয় হাসি। এই তো সে, যাকে পেতে নয়, নিজেকে দিয়ে দিতে এত বছর ধরে একা হাঁটছি।

Bengali love letter for Boyfriend

আমি অপেক্ষা করছি তোমার জন্য। যদি তুমি আমায় ভালোবাসো, আমিও তোমায় সারা আকাশ ভেঙ্গে ভালোবাসা দেবো । আমি তোমায় ভালোবাসবো চোখে চোখ রেখে। ভালোবাসবো তোমায় আঙুলের স্পর্শে। সব দুর্নিবার দূরত্বের কষ্ট আমি উড়িয়ে দিবো বুকে চেপে ধরে। তোমার অস্থিরতা আমি শান্ত করবো। তোমার সব অতৃপ্ততা আমি ভালোবাসার আগুনে পুড়িয়ে দিবো। তোমার অভিমানে জল আমি ঠোঁটে ছুয়ে মুছে দিবো । তোমায় ভালোবাসবো আমি সঙ্গীতের মূর্ছনায়। আমি ভালোবাসবো তোমার সুগন্ধি। তোমার প্রতিটি মুহূর্ত কাটবে প্রথম মুহূর্তের পুনরাবির্ভাবের পুলকে। আমি বুঝে নিবো তোমার সব সুক্ষতা। আমি চিনে নিবো তোমার সব চাতুর্য। আমি বাস্তব করবো তোমার সব কল্পনা। মিটাবো তোমার সব উত্তেজনা। তোমার সব শীতলতা আমি উষ্ণ করে দিবো। তোমার আসক্তিতে আমি সবসময় স্পর্শ দিবো।

তুমি খুশীতে হাসবে আমার কৌশলে।তোমায় কষ্ট কখনো খুজে পাবেনা। তুমি যদি অত্যাচারের তীব্রতা আর ঘৃনায় সুখ খুঁজতে চাও, তবে বৃস্টির জল দেখতে দেখতে তোমার নিয়ে আমি খেলবো। খেলতে খেলতে তোমায় অসহায় করবে না পাওয়ার যন্ত্রণা। তোমায় একা বইতে দিবো বিরহ। দ্রোহের যন্ত্রণায় কেমন লাল হয়ে যাও তুমি, আমি চেয়ে চেয়ে দেখবো। ক্রোধে বের হয়ে আসা তোমার কান্না আমি হাসিমুখে উপভোগ করবো। যদি হেরে যাও নিজের কাছে, আত্মসমর্পণ করে ফেলো, তবে ভালোবাসা জড়িয়ে দেবো তোমার পরতে পরতে। তোমার সব চিন্তা-ভাবনা- ইচ্ছা-কাজের আমি স্বীকৃতি দিবো। তোমার গোপন প্রকাশ্য সব রুচিতে আমি পাশে থাকবো। তোমায় ঘেরা প্রকৃতির সব অসমতায়, দুঃসংবাদে, সুসংবাদে ,শোকে, মৃত্যুতে,রোগে ব্যর্থতায়, বিচ্ছিন্নতায় আমি ছায়ার মতো থাকবো, তোমায় সঙ্গ দিবো সর্বদা।

কষ্টের চিঠি

তুমি আমার। কারন তুমি যদি আমার সে না হও, তবে কেন তোমাকে পেয়ে এতো ভালো লাগে। তবে কেন আমাদের হৃত্স্পন্দন একসাথে স্পন্দিত হয়। তুমি যদি আমার সে না হও, তবে কেন তোমার জন্য পুরো পৃথিবীর বিরুদ্ধে একা দাঁড়াতে দ্বিধা নেই আমার। আমি যদি তোমার জন্য না হই, তবে হৃদয় কেন বলে হ্যাঁ, আমি তোমার জন্য। আমার মস্তিস্কে কেন শুধু তুমি। কেন আমার স্বপ্নে শুধু তুমি। অদেখা ভবিষ্যৎ শুধু তুমি। আমার হৃদয় কেন অবিচল, সবসময়, তোমার পক্ষে।

আমি কখনো তোমার হাত ছুয়ে দেখিনি। কখনো একসাথে হাসিনি। কখনো একসাথে কাঁদিনি। একসাথে কখনো বৃষ্টিতে ভিজিনি।কখনো চুমু খাইনি তোমার ঠোঁটে। তবু তোমায় ভালোবাসি। কোনকিছু ছাড়াই ভালোবাসবো।মৃত্যু পর্যন্ত… মৃত্যুর পরেও…।

আমি তোমাকে ভালোবাসি। তুমি ভালো থেকো……..

Bengali love letter for ex-girlfriend

But with you around, by my side, close to me, I’m certain of having made the right, safer, and yet romantic choice. I feel that all this love and care, that I share here with you, goes both ways and it fills my heart with peace and joy. Gazing endlessly into your deep yet sweet eyes, I realize the tender and pure light that pours from your heart and soul. I shall never let this feeling that joins us perish. Never, by any chance, let us drift away from love’s true path, built on complicity and affection. I love you and forever will! Love, (signature)

Bengali love letter for Wife

You introduced me to love My darling (name) Starring at the past, in comparison with who I am today, that person I was, before meeting you, clearly shows how much I love you and how important you are to me. In times like these, I see how much I involved and how much you taught me. With no great effort, without any resource, or maybe without even knowing, you transformed me into a better and happier man.

Yes, my darling, you did this, by filling my soul, until then futile and empty, with solid concepts of humanity, generosity, and clarity. Somehow, you filled that empty soul with the most fertile of seeds and made them grow here in my chest. That’s why I spare no expense in keeping you, always by my side, because the person that showed me what love is, is precisely the one that deserves all the love in the world because she carries only light and sweetness in her noble heart.

You bring me peace and serenity because you are able to transmit, every day and every hour, the certainty that it’s thrilling to be alive. When I look at you I breathe and the certainty that to me, having your company, I will feel realized until the fullness of my soul. With all my love and my sincerest gratitude, Kiss (signature)

Related Topic: Bangla Romantic love sms

Bengali love letter for husband

Honestly, at that moment I lost my voice, there I was with my mouth open like an idiot watching your show… When you gave me the opportunity to dance with you that waltz, I could hardly believe that was really happening to me, it seemed there was no one but us dancing in the room, a true perfect couple! It was thrilling and exciting what I felt that night. It was your princess day and I was the luckiest vassal, the happiest man at the party. Expressing myself in such a formal way, you may be not recognizing me. But it was your majestic presence and not the suit and tie that transformed me into such a gentleman, the last romantic guy in the world. Alright, I m just prattling, that s all gibberish, it shouldn’t be this hard to tell you how much I love you! Kisses, (signature)

 

Finally, You can also download Bangla love letter in Bangla font pdf. Besides these Bengali love letter pdf, you can share Bengali love letter images from this page.

You May Also Like

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *